আনিসুজ্জামান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান (১৯৩৭-) পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা এটিএম মোয়াজ্জেম বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক আর মা সৈয়দা খাতুন গৃহিণী। পিতামহ শেখ আবদুর রহিম ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক। ঢাকার প্রিয়নাথ স্কুল (নবাবপুর গভর্নমেন্ট স্কুল) থেকে ১৯৫১ সালে মাধ্যমিক এবং জগন্নাথ কলেজ থেকে ১৯৫৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ‘ইংরেজ আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা ১৭৫৭-১৯১৮’ বিষয় অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তাঁর পিএইচডি থিসিস ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৬৪)’ নামে প্রকাশিত হয়। ১৯৬৫ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘উনিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস: ইয়ং বেঙ্গল ও সমকাল’ বিষয়ে পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কৃতি শিক্ষক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, পরে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসাবে যোগ দেন। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদযাপনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ‘মুসলিম বাংলার সাময়িকপত্র’, ‘স্বরূপের সন্ধানে’, ‘আঠারো শতকের বাংলা চিঠি’, ‘পুরোনো বাংলা গদ্য’, ‘আমার একাত্তর’, ‘মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই। ‘বিদ্যাসাগর রচনা সংগ্রহ (যৌথ)’, ‘মুনীর চৌধুরী রচনাবলী (১-৪ খণ্ড)’, ‘অজিহ গুহ স্মারকগ্রন্থ’, ‘শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মারকগ্রন্থ’, ‘মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচনাবলী (১ ও ৩ খণ্ড)’, ‘ওগুস্তে ওসাঁর বাংলা-ফরাসি শব্দসংগ্রহ (যৌথ)’ তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার, রবীন্দ্রবিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি, ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মভূষণ পদকসহ দেশ-বিদেশের আরও অনেক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ সরকার এই বছর আরও দুই বরেণ্য শিক্ষাবিদসহ তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত করেছেন।

আনিসুজ্জামান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান (১৯৩৭-) পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা এটিএম মোয়াজ্জেম বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক আর মা সৈয়দা খাতুন গৃহিণী। পিতামহ শেখ আবদুর রহিম ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক।
ঢাকার প্রিয়নাথ স্কুল (নবাবপুর গভর্নমেন্ট স্কুল) থেকে ১৯৫১ সালে মাধ্যমিক এবং জগন্নাথ কলেজ থেকে ১৯৫৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ‘ইংরেজ আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা ১৭৫৭-১৯১৮’ বিষয় অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তাঁর পিএইচডি থিসিস ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৬৪)’ নামে প্রকাশিত হয়। ১৯৬৫ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘উনিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস: ইয়ং বেঙ্গল ও সমকাল’ বিষয়ে পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি লাভ করেন।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কৃতি শিক্ষক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, পরে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসাবে যোগ দেন। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদযাপনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
‘মুসলিম বাংলার সাময়িকপত্র’, ‘স্বরূপের সন্ধানে’, ‘আঠারো শতকের বাংলা চিঠি’, ‘পুরোনো বাংলা গদ্য’, ‘আমার একাত্তর’, ‘মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই।
‘বিদ্যাসাগর রচনা সংগ্রহ (যৌথ)’, ‘মুনীর চৌধুরী রচনাবলী (১-৪ খণ্ড)’, ‘অজিহ গুহ স্মারকগ্রন্থ’, ‘শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মারকগ্রন্থ’, ‘মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচনাবলী (১ ও ৩ খণ্ড)’, ‘ওগুস্তে ওসাঁর বাংলা-ফরাসি শব্দসংগ্রহ (যৌথ)’ তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম।
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার, রবীন্দ্রবিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি, ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মভূষণ পদকসহ দেশ-বিদেশের আরও অনেক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ সরকার এই বছর আরও দুই বরেণ্য শিক্ষাবিদসহ তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত করেছেন।

Showing the single Book