মেজর নাসির উদ্দিন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্যাংক কোরের সাবেক অফিসার মেজর নাসির উদ্দিন স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সক্রিয় সৈনিক । ১৯৭০-এর মার্চে তিনি কমিশনপ্রাপ্ত হন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতেও তিনি ট্যাংক কোরে চাকরি করেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তিনি রংপুরে ২৯ ক্যাভেলরি রেজিমেন্টে থাকাকালীন অন্তরীণ হন এবং পরবর্তীতে অন্তরীণ অবস্থা। থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পূর্ব রণাঙ্গনে পদাতিক বাহিনীর (২ ইস্ট বেঙ্গল) একটি নিয়মিত কোম্পানির নেতৃত্ব দেন। এরপর ২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ভেঙে ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সৃষ্টির যে প্রক্রিয়া শুরু হয় তাতেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্বে তিনি ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘ডি’ কোম্পানির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন । এরপর হরষপুর, চান্দুরা, শাহবাজপুর, সরাইল, দুর্গাপুর ও আশুগঞ্জের যুদ্ধে তিনি সফল নেতৃত্ব দেন । বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম ট্যাংক রেজিমেন্ট বেঙ্গল লালার তার নেতৃত্বেই গড়ে ওঠে এবং তিনিই এই রেজিমেন্টের প্রথম অধিনায়ক নিযুক্ত হন। ৩ নভেম্বর '৭৫-এ মেজর জেনারেল খালেদ মােশাররফের নেতৃত্বে যে অভ্যুত্থান সংঘঠিত হয়, তিনি ছিলেন তার অন্যতম সংগঠক । ৭ নভেম্বর '৭৫-এ অভুত্থান ব্যর্থ হলে তিনি অন্তরীণ হন এবং পরবর্তী বছরের মাঝামাঝি সময় নাটকীয় এক অবস্থার মধ্যদিয়ে তার কারামুক্তি ঘটে। সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর অন্যান্য কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িয়ে যান। তিনি ইতিমধ্যে দেশের একজন অগ্রসর কলামিস্ট হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার এই লেখালেখির ব্যাপক পরিসর জুড়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ । আর এই পরিসরের। উল্লেখযােগ্য একটি কাজ হচ্ছে ‘যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা।

মেজর নাসির উদ্দিন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্যাংক কোরের সাবেক অফিসার মেজর নাসির উদ্দিন স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সক্রিয় সৈনিক । ১৯৭০-এর মার্চে তিনি কমিশনপ্রাপ্ত হন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতেও তিনি ট্যাংক কোরে চাকরি করেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তিনি রংপুরে ২৯ ক্যাভেলরি রেজিমেন্টে থাকাকালীন অন্তরীণ হন এবং পরবর্তীতে অন্তরীণ অবস্থা। থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পূর্ব রণাঙ্গনে পদাতিক বাহিনীর (২ ইস্ট বেঙ্গল) একটি নিয়মিত কোম্পানির নেতৃত্ব দেন। এরপর ২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ভেঙে ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সৃষ্টির যে প্রক্রিয়া শুরু হয় তাতেও তিনি সক্রিয় ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্বে তিনি ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘ডি’ কোম্পানির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন । এরপর হরষপুর, চান্দুরা, শাহবাজপুর, সরাইল, দুর্গাপুর ও আশুগঞ্জের যুদ্ধে তিনি সফল নেতৃত্ব দেন । বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম ট্যাংক রেজিমেন্ট বেঙ্গল লালার তার নেতৃত্বেই গড়ে ওঠে এবং তিনিই এই রেজিমেন্টের প্রথম অধিনায়ক নিযুক্ত হন। ৩ নভেম্বর ‘৭৫-এ মেজর জেনারেল খালেদ মােশাররফের নেতৃত্বে যে অভ্যুত্থান সংঘঠিত হয়, তিনি ছিলেন তার অন্যতম সংগঠক । ৭ নভেম্বর ‘৭৫-এ অভুত্থান ব্যর্থ হলে তিনি অন্তরীণ হন এবং পরবর্তী বছরের মাঝামাঝি সময় নাটকীয় এক অবস্থার মধ্যদিয়ে তার কারামুক্তি ঘটে। সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর অন্যান্য কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িয়ে যান। তিনি ইতিমধ্যে দেশের একজন অগ্রসর কলামিস্ট হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার এই লেখালেখির ব্যাপক পরিসর জুড়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ । আর এই পরিসরের। উল্লেখযােগ্য একটি কাজ হচ্ছে ‘যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা।

Showing all 3 Books