মোস্তাফা জব্বার

মোস্তাফা জব্বার (১৯৪৯-) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চরচারতলা গ্রামের নানার বাড়িতে তাঁর জন্ম। ১৯৬৬ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক, ১৯৬৮ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক পাশ করেন। কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭২ সালে সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে। তিনি কম্পিউটারের বাংলা কীবোর্ড বিজয়ের জনক এবং কম্পিউটারের বাংলা সফটওয়্যার বিজয়ের উদ্ভাবক। ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’, ‘নক্ষত্রের অঙ্গার’, ‘সুবর্ণে শেখড়’, ‘কম্পিউটারের কথকতা’, ‘ডিজিটাল বাংলা’, ‘একাত্তর ও আমর যুদ্ধ’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই। বাংলাদেশ টেলিভিশনের কম্পিউটার, এটিএন বাংলার কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং চ্যানেল আইয়ের একুশ শতক অনুষ্ঠানের সহায়তায় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও তিনি কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তোলেন। বর্তমানে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। বেসিস আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, পিআইবির সোহেল সামাদ পুরস্কারসহ তিনি আরো অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।

মোস্তাফা জব্বার

মোস্তাফা জব্বার (১৯৪৯-) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চরচারতলা গ্রামের নানার বাড়িতে তাঁর জন্ম।
১৯৬৬ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক, ১৯৬৮ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক পাশ করেন।
কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭২ সালে সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে।
তিনি কম্পিউটারের বাংলা কীবোর্ড বিজয়ের জনক এবং কম্পিউটারের বাংলা সফটওয়্যার বিজয়ের উদ্ভাবক।
‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’, ‘নক্ষত্রের অঙ্গার’, ‘সুবর্ণে শেখড়’, ‘কম্পিউটারের কথকতা’, ‘ডিজিটাল বাংলা’, ‘একাত্তর ও আমর যুদ্ধ’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের কম্পিউটার, এটিএন বাংলার কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং চ্যানেল আইয়ের একুশ শতক অনুষ্ঠানের সহায়তায় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও তিনি কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তোলেন।
বর্তমানে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
বেসিস আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, পিআইবির সোহেল সামাদ পুরস্কারসহ তিনি আরো অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।

Showing all 5 Books