রফিকুল ইসলাম, বীরউত্তম

রফিকুল ইসলাম (১৯৪৩) সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার নাওড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আশরাফ উল্লাহ ঢাকা জেলার ডিস্ট্রিক্ট এডুকেশন অফিসার ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা মডেল হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে অনার্সে পড়াশোনা করেন। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে তিনি পাকিস্তান আর্মিতে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে তিনি ১ নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে চট্টগ্রাম এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা (মন্ত্রী) হিসেবে নৌ–পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এই দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৯১ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন। ১৯৯৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

রফিকুল ইসলাম, বীরউত্তম

রফিকুল ইসলাম (১৯৪৩) সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার নাওড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আশরাফ উল্লাহ ঢাকা জেলার ডিস্ট্রিক্ট এডুকেশন অফিসার ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা মডেল হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে অনার্সে পড়াশোনা করেন।
১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে তিনি পাকিস্তান আর্মিতে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে তিনি ১ নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে চট্টগ্রাম এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা (মন্ত্রী) হিসেবে নৌ–পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এই দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৯১ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন।
১৯৯৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

Showing the single Book