শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী

নাসরিন চৌধুরী (১৯৪২-) শেরপুরের চন্দকোনা থানার বন্দটেকি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পিতার কর্মস্থল ময়মনসিংহে মাধ্যমিক, টাংগাইল কুমুদিনী সরকারি মহিল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরের অবস্থিত ভারতেশ্বরী হোমসে শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। উদয়ন হাই স্কুলের অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ২০০২ সালে তিনি চাকরীচ্যুত হন। পরবর্তী কয়েকজন সহকর্মী মিলে উদ্দীপন নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকার লালমাটিয়াতে যেখানে তিনি প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একাত্তরে আলবদরদের হাতে নিহত স্বামী চক্ষু চিকিৎসক ডা. আলীম চৌধুরীর কথা লিখতে গিয়ে লেখালেখির জগতে প্রবেশ। ‘একাত্তরের শহীদ ডাক্তার আলীম চৌধুরী’, ‘বেদনায় একাত্তর’, ‘মুক্তিযুদ্ধের পরের যুদ্ধ’, ‘একাত্তরের সেই মেয়েটি’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই। একুশে পদকসহ তিনি বিভিন্ন পুরস্কার ভূষিত হয়েছেন তিনি।

শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী

নাসরিন চৌধুরী (১৯৪২-) শেরপুরের চন্দকোনা থানার বন্দটেকি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পিতার কর্মস্থল ময়মনসিংহে মাধ্যমিক, টাংগাইল কুমুদিনী সরকারি মহিল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরের অবস্থিত ভারতেশ্বরী হোমসে শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। উদয়ন হাই স্কুলের অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ২০০২ সালে তিনি চাকরীচ্যুত হন। পরবর্তী কয়েকজন সহকর্মী মিলে উদ্দীপন নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকার লালমাটিয়াতে যেখানে তিনি প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একাত্তরে আলবদরদের হাতে নিহত স্বামী চক্ষু চিকিৎসক ডা. আলীম চৌধুরীর কথা লিখতে গিয়ে লেখালেখির জগতে প্রবেশ।
‘একাত্তরের শহীদ ডাক্তার আলীম চৌধুরী’, ‘বেদনায় একাত্তর’, ‘মুক্তিযুদ্ধের পরের যুদ্ধ’, ‘একাত্তরের সেই মেয়েটি’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই।
একুশে পদকসহ তিনি বিভিন্ন পুরস্কার ভূষিত হয়েছেন তিনি।

Showing all 9 Books