সন্তোষ গুপ্ত

সন্তোষ গুপ্ত (১৯২৫-২০০৪) বরিশালের ঝালকাঠি জেলার রুনসী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪১ সালে ঝালকাঠির পিকে ইন্সটিটিউট কীর্তিপাশা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, পরবর্তীকালে কলকাতা সিটি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। সন্তোষ গুপ্ত ১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে আইজি প্রিজন অফিসে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৪৫ সালে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দেশভাগের সময় সন্তোষ গুপ্ত পূর্ববঙ্গ অপশন দিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। কলকাতায় থাকতেই কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। পরবর্তীতে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে নেন। ‘ইতিহাসের ঝর্ণাধ্বনি’, ‘অনালোক আলোকস্তম্ভ’, ‘শিল্পের কথা’, ‘স্মৃতি-বিস্মৃতির অতলে’, ‘ইলেকট্রনিক ডিভাইস অ্যান্ড সার্কিটস’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই। স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদকসহ তিনি আরও অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।

সন্তোষ গুপ্ত

সন্তোষ গুপ্ত (১৯২৫-২০০৪) বরিশালের ঝালকাঠি জেলার রুনসী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪১ সালে ঝালকাঠির পিকে ইন্সটিটিউট কীর্তিপাশা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, পরবর্তীকালে কলকাতা সিটি কলেজে পড়াশোনা করেছেন।
সন্তোষ গুপ্ত ১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে আইজি প্রিজন অফিসে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৪৫ সালে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দেশভাগের সময় সন্তোষ গুপ্ত পূর্ববঙ্গ অপশন দিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। কলকাতায় থাকতেই কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। পরবর্তীতে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে নেন।
‘ইতিহাসের ঝর্ণাধ্বনি’, ‘অনালোক আলোকস্তম্ভ’, ‘শিল্পের কথা’, ‘স্মৃতি-বিস্মৃতির অতলে’, ‘ইলেকট্রনিক ডিভাইস অ্যান্ড সার্কিটস’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই।
স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদকসহ তিনি আরও অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।

View cart “অনিরুদ্ধের কলাম” has been added to your cart.

Showing all 4 Books