আব্দুল গাফফার চৌধূরী

আবদুল গাফফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর;বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার উলানিয়ায় । তাঁর মাতা জোহরা খাতুন ।পিতা ওয়াহেদ রেজা চৌধুরী ভূস্বামী হলেও ছিলেন ব্রিটিশশাসিত ভারতের একজন মুক্তিসৈনিক।বরিশাল জেলা কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।সদস্য ছিলেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির। ১৯৪২ সালের আগস্ট আন্দোলনের সময় তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল। তদানিন্তন কংগ্রেস নেতা, মতিলাল নেহেরুর সেক্রেটারি হিসেবেও কাজ করেছেন ওয়াহেদ চৌধুরী।গাফফার চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন ১৯৫৯ সালে। এরপর সাংবাদিকতা করেছেন ঢাকার বিভিন্ন কাগজে। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি ‘জয় বাংলা’,‘যুগান্তর’ ও ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায় কাজ করেছে।বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর তাঁর লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটি তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। প্রথমে তিনি নিজেই গানটিতে সুর করেছিলেন। পরে শহীদ আলতাফ মাহমুদ এ গানে সুরারোপ করেন এবং এ সুরেই এখন গানটি গাওয়া হয়। বিবিসি বাংলা বিভাগের দর্শকদের জরিপে এই গান বাংলা গানের ইতিহাসে তৃতীয় সেরা গানের মর্যাদা পেয়েছে।১৯৭৪ সালের ৫ অক্টোবর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তিনি সপরিবারে লন্ডনে চলে যান। সেখানে ‘নতুন দিন’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। প্রায় ৩৫টি বই লিখেছেন তিনি। নিয়মিত কলাম লিখছেন ঢাকা ও কোলকাতার বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইনে; বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের ওপর গাফফার চৌধুরী একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন,‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’।বঙ্গবন্ধুর ওপরেই আরেকটি চলচ্চিত্র,‘দ্য পোয়েট অব পলিটিকস’ প্রয়োজনা করছেন তিনি। কাজের স্বীকৃতির জন্য জীবনে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। উল্লেখযোগ্য হল, বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭),একুশে পদক,ইউনেসকো সাহিত্য পুরস্কার এবং স্বাধীনতা পদক (২০০৯)।

আব্দুল গাফফার চৌধূরী

আবদুল গাফফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর;বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার উলানিয়ায় ।
তাঁর মাতা জোহরা খাতুন ।পিতা ওয়াহেদ রেজা চৌধুরী ভূস্বামী হলেও ছিলেন ব্রিটিশশাসিত ভারতের একজন মুক্তিসৈনিক।বরিশাল জেলা কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।সদস্য ছিলেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির। ১৯৪২ সালের আগস্ট আন্দোলনের সময় তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল। তদানিন্তন কংগ্রেস নেতা, মতিলাল নেহেরুর সেক্রেটারি হিসেবেও কাজ করেছেন ওয়াহেদ চৌধুরী।গাফফার চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন ১৯৫৯ সালে। এরপর সাংবাদিকতা করেছেন ঢাকার বিভিন্ন কাগজে। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি ‘জয় বাংলা’,‘যুগান্তর’ ও ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায় কাজ করেছে।বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর তাঁর লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটি তাঁকে খ্যাতি এনে দেয়। প্রথমে তিনি নিজেই গানটিতে সুর করেছিলেন। পরে শহীদ আলতাফ মাহমুদ এ গানে সুরারোপ করেন এবং এ সুরেই এখন গানটি গাওয়া হয়। বিবিসি বাংলা বিভাগের দর্শকদের জরিপে এই গান বাংলা গানের ইতিহাসে তৃতীয় সেরা গানের মর্যাদা পেয়েছে।১৯৭৪ সালের ৫ অক্টোবর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তিনি সপরিবারে লন্ডনে চলে যান। সেখানে ‘নতুন দিন’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। প্রায় ৩৫টি বই লিখেছেন তিনি। নিয়মিত কলাম লিখছেন ঢাকা ও কোলকাতার বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইনে; বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের ওপর গাফফার চৌধুরী একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন,‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’।বঙ্গবন্ধুর ওপরেই আরেকটি চলচ্চিত্র,‘দ্য পোয়েট অব পলিটিকস’ প্রয়োজনা করছেন তিনি।
কাজের স্বীকৃতির জন্য জীবনে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। উল্লেখযোগ্য হল, বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭),একুশে পদক,ইউনেসকো সাহিত্য পুরস্কার এবং স্বাধীনতা পদক (২০০৯)।

Showing all 3 Books