• Date of birth:
  • Published Book: 1

মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ্;

কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ তথা কে এম শফিউল্লাহ (১৯৩৪-) তদানীন্তন ঢাকা জেলার (বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলা) রূপগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে সেকেণ্ড লেফটেনেন্ট পদে নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করে জেনারেল সফিউল্লাহ ২৮ মার্চ দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সেকেন্ড ইন কমান্ড থাকাকালে ওই ব্যাটালিয়ন নিয়ে বিদ্রোহ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ৩নং সেক্টরের প্রধান এবং এস ফোর্সের প্রধান হিসেবে তিনি সুপরিচিত। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানও তিনি। জেনারেল সফিউল্লাহ ১৯৭৫- এর পর থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত এক নাগাড়ে ১৬ বৎসর বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শৌখিন ফটোগ্রাফার এবং নিজ হাতে বাগান করতে পছন্দ করেন। গলফ খেলেন ভালবাসেন আর অবসর সময়ে লিখেন। ‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ’, ‘ফিফটিন্থ অগাস্ট আ ন্যাশনাল ট্রাজেডি’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই।

মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ্;

কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ তথা কে এম শফিউল্লাহ (১৯৩৪-) তদানীন্তন ঢাকা জেলার (বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলা) রূপগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে সেকেণ্ড লেফটেনেন্ট পদে নিযুক্ত হন।
মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করে জেনারেল সফিউল্লাহ ২৮ মার্চ দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সেকেন্ড ইন কমান্ড থাকাকালে ওই ব্যাটালিয়ন নিয়ে বিদ্রোহ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
৩নং সেক্টরের প্রধান এবং এস ফোর্সের প্রধান হিসেবে তিনি সুপরিচিত। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানও তিনি।
জেনারেল সফিউল্লাহ ১৯৭৫- এর পর থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত এক নাগাড়ে ১৬ বৎসর বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি শৌখিন ফটোগ্রাফার এবং নিজ হাতে বাগান করতে পছন্দ করেন। গলফ খেলেন ভালবাসেন আর অবসর সময়ে লিখেন।
‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ’, ‘ফিফটিন্থ অগাস্ট আ ন্যাশনাল ট্রাজেডি’ তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই।

Showing the single Book