অঘোষিত যুদ্ধের ব্লু-প্রিন্ট

৳ 500.00

১৯৭৫ সনের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ৩রা নবেম্ভর জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করে প্রতিবিপ্লবী শক্তি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-মূল্যবোধ ও মৌলনীতি ধ্বংস, জাতিস্বত্তা বিনাশী কর্মকান্ডের মাধ্যমে সর্বগ্রাসী দুবৃত্তায়নের চক্রে দেশকে করায়ত্ত করছে।

লক্ষ্য–শুধুমাত্র নেতৃত্ব শূন্যতা নয়, বাংলাদেশকে নীতিহীনতার অন্ধকারে ঠেলে দেয়া।

সেই অন্ধকার রাজ্যে আজ সশস্ত্র জংগীবাদ চিরায়িত বাংলার শাশ্বত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নিশ্চিহ্ন করছে। সেই লক্ষ্যে তারা আশার শেষ প্রদীপটিকেও নিভিয়ে দিতে চায়। ২১ শে আগস্ট ২০০৪ সন। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এর জনসভায় শেখ হাসিনা ও নেতৃবৃন্দের উপর ভয়াবহ গ্রেনেড হামলাটি ছিলো স্বাধীনতা বিরোধী দেশদ্রোহী চক্রের পরিকল্পিত আক্রমণ। নেতৃত্বের সার্বিক হত্যাযজ্ঞ wholesale destruction । লক্ষ্য আবারো নেতৃত্ব শূন্যতা সৃষ্টি এবং অতি বাংলাদেশকে সশস্ত্র সাম্প্রদায়িক জংগীবাদ ও পাকিস্তানী দাসত্বে বৃত্তায়িত।

পর্যালোচনায় সর্বনাশা দিক স্পষ্টতর, যেখানেই জামাত-শিবির সশস্ত্র উগ্রবাদী চক্রের অবস্থান ও ঘাঁটি শক্তিশালী সেখান থেকেই উৎখাত ও নিমূল জোটের প্রধান শরীক শাসক দল। অর্থাৎ তারা কাউকে ছাড় দেবেনা। দিচ্ছেনা। জোটের দলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক আদর্শিক নয়, কৌশলগত। ক্ষমতার লোভে শীর্ষ নির্বাহী কর্তৃত্ব ও নেতৃত্বের চোখ আজ অন্ধ। বিবেক বন্দি। চারপাশে রক্তাক্ত অশনি শ্বাপদ-গর্জন কিন্তু কর্ণ বধির। অঘোষিত যুদ্ধের প্রিন্ট গ্রন্থটি তাদের আগ্রাসী রক্তাক্ত থাবার অতি বিস্তৃতির কিঞ্চিৎ চিত্র মাত্র।